বাংলাদেশ নৌবাহিনী

 

বাংলাদেশ নৌবাহিনী


প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আজকের আর্টিকেলে শেয়ার করব বাংলাদেশ নৌবাহিনী সম্পর্কে। প্রিয় পাঠক আপনি কি নিজেকে একজন নৌবাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চান? আপনি কি বাংলাদেশ নৌবাহিনী সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? আপনি কি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকরি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? যদি জানতে চা তাহলে আপনি সঠিক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছেন।সম্পুর্ন আর্টিকেলটি পড়ুন এবং জানুন আপনার প্রয়োজমীয় সকল তথ্য। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন নতুন নতুন আপডেট শেয়ার করে থাকি।নতুন নতুন আপডেট পেতে সাথেই থাকুন। 

বাংলাদেশ নৌবাহিনী

আজকের আর্টিকেলটির মাধ্যমে জানতে পারবেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি কয়টি?,বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন কয়টি?,বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান কে?,বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কি?, ইত্যাদি তথ্য।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী


বাংলাদেশ নৌবাহিনী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নৌ শাখা। বাংলাদেশ নৌবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৯৭১ গঠিত হয়।বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীনে শক্তিশালী করতে এবং জলপথে বহিঃশত্রুর আক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠন করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথমিক দায়িত্ব হচ্ছে দেশ ও দেশের বাইরে বাংলাদেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণ করা।পাশাপাশি বাংলাদেশের দুর্যোগে এবং বিদেশে মানবিক সহায়তায় নেতৃত্ব দানকারী হিসেবে কাজ করে। এবং আঞ্চলিক সন্ত্রাস দমনে প্রধান অংশগ্রহণ কারী দল হিসেবে কাজ করে থাকে।বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্বে রয়েছে  ৪৫,৮৭৪ বর্গমাইল সমুদ্র সীমা।বাংলাদেশ নৌবাহিনী জলপথে দেশ ও দেশের মানুষের সর্বচ্ছো নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে থাকে।বাংলাদেশ নৌবাহিনী সাংবিধানিক ভাবে সর্বচ্ছো দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ।


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাটি কয়টি


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নৌঘাঁটি রয়েছে মোট ৮ টি। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদরদপ্তর ঢাকার বনাণীতে অবস্থিত। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আটটি নৌঘাঁটির মধ্যে ৬ টিই বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত বাকি দুটি ঢাকায় অবস্থিত।এসব নৌঘাঁটি থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন কয়টি 


বাংলাদেশ নৌবাহিনী যথেষ্ট শক্তিশালী। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে রয়েছে ২ টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি শক্তিশালী সাবমেরিন। এক একটি সাবমেরিন দৈর্ঘে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক একটা সাবমেরিন কে সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে দশটি যুদ্ধজাহাজের সমান বলে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোরা যায় মাইন মারা যায়। এবং সাবমেরিন দুটিকে যেকোনো যুদ্ধজাহাজ সহজে সনাক্ত করতে পারেনা।বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবমেরিন দুটির নাম বানৌজা নবযাত্রা ও বানৌজা জয়যাত্রা।


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান কে 


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বর্তমান প্রধান রিয়্যার এডমিরাল মুহাম্মদ নাজমুল হাসান। তিনি ২৪ শে জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন।এর আগে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে একাধিক পদে নিয়োজিত ছিলেন।


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কি?


বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক হলো কাচিবেষ্টিত নোঙর এবং তার উপর জাতীয় ফুল শাপলা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীকের রং সাদা এবং নীল। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর শ্লোগান হলো শান্তিতে সংগ্রামে  সমুদ্রে দুর্যয়।


আজকের আর্টিকেল সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর 


প্রশ্ন :বাংলাদেশ নৌবাহিনী কত সালে গঠিত হয়েছিল?


উত্তর : ১৯৭২ সালের ১০ ডিসেম্বর। 


প্রশ্ন :বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদরদপ্তর কোথায়? 


উত্তর :ঢাকার বনানীতে। 


প্রশ্ন :বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কার্যক্রম প্রধানত কোন অঞ্চলকেন্দ্রিক?


উত্তর :বৃহত্তর চট্টগ্রাম কেন্দ্রিক


শেষ কথা :বাংলাদেশ নৌবাহিনী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ শাখা। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নৌপথে বাংলাদেশের সার্ভোবৌমত্ব এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করে থাকে।আপনারা ইতোমধ্যে বুঝতে পেরেছেন আজকের আর্টকেলে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি বাংলাদেশ নৌবাহিনী সম্পর্কে। আজকের আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করে ছরিয়ে দিবেন।এরকম আরও নতুন নতুন আপডেট পেতে সাথেই থাকুন ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কি?

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post