আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস

  

আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস 


আসসালামু আলাইকুম আশাকরি সবাই ভালো আছেন।আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব কম্পিউটার নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আমরা অনেকেই হয়ত কম্পিউটার ব্যবহার করি কিন্তুু কম্পিউটারের অনেক গুলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে যা আমরা অনেকেই হয়ত বা জানিন। তাই আজকের পোস্টে সেই বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনা করব।আশাকরি আজকের পোস্ট থেকে আপনারা অনেক কিছু শিখতে পারবেন।এরকম নতুন নতুন আরও আপডেট পেতে সাথেই থাকুন। 


আজকে পোস্টে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন যেমন কম্পিউটার কি?,কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি এবং এর অর্থ,আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?,কম্পিউটারের কাজ কি?,কম্পিউটারের সক্ষমতা,আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস, আধুনিক সভ্যতায় কম্পিউটারের অবদান ইত্যাদি। নিচে সবগুলো বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।


আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস

কম্পিউটার কি?


কম্পিউটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা সুনির্দিষ্ট নির্দেশ অনুসরণ করে বিভিন্ন তথ্য বিচার বিশ্লেষণ এবং  খুবই  সুক্ষ্ম ভাবে দ্রুত সময়ে গাণিতিক হিসাব সংক্রান্ত কাজ করতে পারে। 


কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি এবং অর্থ


কম্পিউটার (Computer)শব্দের উৎপত্তি গ্রিক শব্দ (Compute) থেকে যার অর্থ হিসাব করা বা গণনা করা। আর কম্পিউটার শব্দের অর্থ হলো গণনাকারী যন্ত্র।


আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে?


আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয় বৃটিশ গণিতবিদ স্যার চার্লস ব্যাবেজ কে।চার্লস ব্যাবেজ ১৮২০ সালে কম্পিউটারের আদলে যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর এবং ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করে বিজ্ঞান মহলে তাক লাগিয়ে দেন।


কম্পিউটারের কাজ কি?


প্রথমদিকে কম্পিউটারের কাজ ছিলো গণনা করা এবং হিসাব নিকাশ করা।কিন্তুু এখন কম্পিউটারের কাজ শুধু হিসাব নিকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।কম্পিউটার দিয়ে এখন হাজার হাজার কাজ করা হয় যেমন কম্পিউটারে দেখা এখন বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি এবং  কমার্সিয়াল সাইট তাদের কাজ কম্পিউটার দিয়ে পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন প্রতিষ্টানের আয় ব্যয়ের হিসাব, কর্মীদের কাজের হিসাব, নিয়োগ দেওয়া ও বেতন প্রদান এবং কোম্পানির কাজের তালিকা কম্পিউটার দিয়ে করা হয়। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে, রিপোর্ট তৈরিতে,রিপোর্ট বিশ্লেষণ করতে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কোনো কিছুর অনুসন্ধান করতে, তথ্য বিশ্লেষণে,গাণিতিক ব্যাখা প্রদান করতে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার দিয়ে যেকোনো তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারের কাজের পরিসর দিন দিন বেড়েই চলেছে। 


কম্পিউটারের সক্ষমতা


কম্পিউটারের সক্ষমতা মানুষের ছেয়ে অনেক বেশি।কম্পিউটার যেকোনো তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে পুনরায় নির্ভুল ব্যবহার করতে পারে। কম্পিউটার যেকোনো তথ্যের তাৎক্ষণিক আদান-প্রদান ও নির্ভুল বিশ্লেষণ করতে পারে। যেকোনো জটিল ও কঠিন হিসাব নিকাশ তাৎক্ষণিক এবং দ্রুত করতে পারে। কম্পিউটার


আধুনিক কম্পিউটারের ইতিহাস 

আধুনিক কম্পিউটারের যাত্রা শুরু হয় উনিশ শতকের শুরুর দিকে বৃটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজের হাত ধরে। উনিশ শতকের শুরুর দিকে চার্লস ব্যাবেজ আধুনিক একটি যন্ত্রের নির্মাণ ও ধারনা সবার সামনে আনেন।যা শুধু যান্ত্রিকভাবে কোনো বুদ্ধিমত্তা ছারা গাণিতিক হিসাব করতে পারে। তিনি এটির নাম দেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। পরবর্তীতে তিনি আরও উন্নত ও সর্বজনীন যন্ত্র হিসেবে অ্যানালিটিক্যাল যন্ত্র নামে আরও একটি যন্ত্রের ধারণা দেন।কিন্তুু অর্থ ও প্রযুক্তির অভাবে কোনোটির কাজই শেষ করতে পারেননি। বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ ঘটতে থাকে।এলান টুরিং এর তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে।১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে কম্পিউটারের দ্রুত বিকাশ লাভ করতে থাকে।বাজারে আসতে থাকে বিভিন্ন প্রকৃতি ও আকৃতির পার্সনাল কম্পিউটার। শুরর দিকে এসব কম্পিউটারের আকার ছিলো অনেক বড়।পার্সনাল কম্পিউটার আবিষ্কারের সাথে সাথে আবিষ্কাৃত বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিক ভাষা ও ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম।সেই সঙ্গে প্রসার ঘটে নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবার।১৯৮১  সালে আইবিএম কোম্পানি বাজারে লঞ্চ করে তাদের পার্সনাল কম্পিউটার। এরপর থেকে একের পর এক আবিষ্কৃত হতে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর যুক্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। এরই ধারাবাহিকতায় অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার আজকের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক কম্পিউটারের রুপ নিয়েছে।


শেষ কথা :


কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার। কম্পিউটারের রয়েছে হিসাব নিকাশ ও বিচার বিশ্লেষণ করার মতো অসাধারণ ক্ষমতা। কম্পিউটার মুহুর্তের মধ্যে হিসাব কষতে পারে। কোটি কোটি তথ্য সংরক্ষন করতে পারে। টানা বিরতিহীন ভাবে কাজ করতে পারে।প্রত্যেক জায়গায় এখন মানুষের জায়গা দখল করছে কম্পিউটার।



Post a Comment (0)
Previous Post Next Post